রোহিঙ্গা নিপীড়ন কবে বন্ধ করবে মিয়ানমার?
লস এঞ্জেলেস টাইমসের সম্পাদকীয়
ভাষান্তর: সালমান রিয়াজ
পুলিশ সদস্যের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার জবাব দেয়ার অধিকার রয়েছে মিয়ানমার সরকারের। মিয়ানমারের এ পদক্ষেপকে নিন্দা জানাচ্ছে মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং জাতিসংঘের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, নির্যাতন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে প্রায় শতাধিক মানুষ নিহত এবং ১ হাজার ২৫০ ঘরবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। লুণ্ঠন, ধর্ষণ, হত্যাও করা হচ্ছে। কোনো কোনো গোষ্ঠী বলছে, সেনাবাহিনী তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে। এক বছরেরও কম সময় আগে মিয়ানমারের ঐতিহাসিক নির্বাচনে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জয়লাভ করে। এ জয়ের ফলে প্রায় পাঁচ দশকের সামরিক রোষানল থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রের দিকে যাত্রা শুরু করে মিয়ানমার; তবুও সেখানে এখনও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
পুলিশ সদস্যের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার জবাব দেয়ার অধিকার রয়েছে মিয়ানমার সরকারের। মিয়ানমারের এ পদক্ষেপকে নিন্দা জানাচ্ছে মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং জাতিসংঘের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, নির্যাতন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে প্রায় শতাধিক মানুষ নিহত এবং ১ হাজার ২৫০ ঘরবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। লুণ্ঠন, ধর্ষণ, হত্যাও করা হচ্ছে। কোনো কোনো গোষ্ঠী বলছে, সেনাবাহিনী তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে। এক বছরেরও কম সময় আগে মিয়ানমারের ঐতিহাসিক নির্বাচনে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জয়লাভ করে। এ জয়ের ফলে প্রায় পাঁচ দশকের সামরিক রোষানল থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রের দিকে যাত্রা শুরু করে মিয়ানমার; তবুও সেখানে এখনও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন- কীভাবে মিয়ানমারের দারিদ্র্য-পীড়িত ও সংঘাতসংকুল একটি অংশকে নির্যাতনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অং সান সু চি’র সরকার। দেশটিতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম নির্যাতিত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা গোষ্ঠী। জাতীয় নিরাপত্তার নামে তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে। গত মাসে রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের তিনটি সীমান্ত ফাঁড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৯ পুলিশ সদস্যের নিহত হওয়াকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। তবে কারা এ হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ও দুই হামলাকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে, রাখাইন রাজ্যের দখল নিতে জঙ্গি গোষ্ঠীরা এ হামলার ছক তৈরি করে। ওই হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। তারপর থেকে সেনা অভিযানে এ পর্যন্ত অন্তত শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। তবে ওই এলাকায় রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর সহিংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
পুলিশ সদস্যের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার জবাব দেয়ার অধিকার রয়েছে মিয়ানমার সরকারের। মিয়ানমারের এ পদক্ষেপকে নিন্দা জানাচ্ছে মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং জাতিসংঘের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, নির্যাতন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে প্রায় শতাধিক মানুষ নিহত এবং ১ হাজার ২৫০ ঘরবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। লুণ্ঠন, ধর্ষণ, হত্যাও করা হচ্ছে। কোনো কোনো গোষ্ঠী বলছে, সেনাবাহিনী তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গারা নিজেদের বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে। তাদের গ্রামগুলোকে রোহিঙ্গারা নিজেরাই জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে। মিয়ানমার সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে।
http://www.jugantor.com/online/viewers-opinion-/2016/11/28/32174/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A7%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0?

No comments